
সাব্বির আহমেদ, টেকনাফ প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার রোহিঙ্গা অধ্যুষিত ও সীমান্তবর্তী এলাকায় দিন দিন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। হত্যা, অপহরণ, ডাকাতি, চুরি, মাদক কারবার, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার, মানবপাচার ও নারী নির্যাতনের মতো গুরুতর অপরাধ বেড়ে যাওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিশেষ করে রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন ও সীমান্তবর্তী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। অপরাধীদের দৌরাত্ম্যে সাধারণ মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারছেন না। অনেক ক্ষেত্রে রাতের আঁধারে অপহরণ ও ডাকাতির ঘটনা ঘটছে, যা এলাকাবাসীর মধ্যে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, মাদক ব্যবসা ও মানবপাচার চক্র সক্রিয় থাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আরও বেড়ে যাচ্ছে। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়েও দেখা দিয়েছে গভীর উদ্বেগ। বিভিন্ন সময় নির্যাতন ও সহিংসতার ঘটনা ঘটলেও অনেক ভুক্তভোগী ভয়ে প্রকাশ্যে অভিযোগ করতে সাহস পাচ্ছেন না।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলেন, “আমরা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার ও কঠোর ব্যবস্থা ছাড়া এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।”
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সচেতন মহলের মতে, টেকনাফে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ, গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং সীমান্ত এলাকায় কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করা এখন সময়ের দাবি।