
জীবন কুমার রিপন, স্টাফ রিপোর্টার, শ্রীপুর:
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ি ভাওয়াল রাজাবাড়ি রাজকাচারী মাঠে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, উৎসবমুখর পরিবেশ ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসবের বিজয়া দশমী ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ উদযাপন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে বুধবার (২০ অক্টোবর) আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ও গাজীপুর জেলা বিএনপির ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব খায়রুল কবির মণ্ডল আজাদ, শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি কাজিম উদ্দিন ফকির, রাজাবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক নাজমুল হুদা শাহীন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মুহিদুল ইসলাম নয়ন, সদস্যসচিব রাকিবুল ইসলাম মোড়ল এবং যুগ্ম আহ্বায়ক শাহিনুর সরকার।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজাবাড়ি হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা বাবু উমাকান্ত মল্লিকসহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অরুণ চন্দ্র দাস। তিনি শ্রীপুর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এবং ভাওয়াল রাজাবাড়ি হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা ও পরিচালনা করেন ভাওয়াল রাজাবাড়ি হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাবু পীযূষ কুমার ঘোষ (লিটন), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাবু অরুণ কুমার মল্লিক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু নিতাই চন্দ্র মণ্ডল।
আয়োজনটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল রাজাবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপি। অনুষ্ঠানে সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে শ্রীপুর মডেল থানা পুলিশ ও ৮ নম্বর রাজাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ।
বিজয়া দশমী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব। দুর্গাপূজার সমাপনী এ দিনে শুভেচ্ছা বিনিময় ও বিজয়ার আনন্দ ভাগাভাগির মধ্য দিয়ে মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়। ধর্মীয় এ উৎসব বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সম্প্রীতির বার্তাও বহন করে।
রাজাবাড়ির রাজকাচারী মাঠে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ধর্মীয় উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।